২০ বছরে পা দিয়েছে আবৃত্তি সংগঠন হরবোলা

২০ বছরে পা দিয়েছে আবৃত্তি সংগঠন হরবোলা। এ উপলক্ষে বছরব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে গতকাল অনুষ্ঠিত হলো চলমান শ্রোতার আসরের দ্বিতীয় প্রয়াস ‘হরবোলার এক কুড়ি’।

শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি। এতে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল আর জীবনানন্দের কবিতা আবৃত্তি করেন তিন আবৃত্তিশিল্পী।

অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন হরবোলার সদস্য শুক্লা দাশগুপ্তা ও মো. মাহবুবুর রহমান খান। এছাড়া আমন্ত্রিত শিল্পী হিসেবে আবৃত্তি পরিবেশন করেন কলকাতার বাচিকশিল্পী মৌসুমী মিত্র। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হরবোলার আবৃত্তিশিল্পী ঝুমি রহমান।

অনুষ্ঠানে মাহবুবুর রহমান খান পাঠ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘রাহুর প্রেম’, কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ‘কাণ্ডারি হুঁশিয়ার’, আনিসুল হকের ‘তুই কি আমার দুঃখ হবি’ ও ‘মানুষ জাগবে ফের’ এবং জহির রায়হানের ‘সময়ের প্রয়োজনে’ থেকে নির্বাচিত অংশ।

শুক্লা দাশগুপ্ত পাঠ করেন জীবনানন্দ দাশের ‘নদী’, মেহেদী হাসানের ‘মিরিকে বিকেল’, প্রদীপ বালা রচিত ‘আকাশ দেখার স্বপ্ন ছিল যে মেয়েটার’, সুকুমার রায়ের ‘গন্ধ বিচার’ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পরীর পরিচয়’।

কাজী নজরুল ইসলামের কবিতাপাঠের মাধ্যমে পরিবেশনা শুরু করেন আমন্ত্রিত শিল্পী মৌসুমী মিত্র। কণ্ঠে তুলে নেন ‘হে সর্বশক্তিমান’ শিরোনামের কবিতা। এরপর এই বাচিকশিল্পী একে একে পাঠ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘বাঁশিওয়ালা’, শুভ দাশগুপ্তর ‘রাগ দরবারি’, গোলাম কুদ্দুসের ‘সুখের দেশে সুখেই থাকো’, শঙ্খ ঘোষের ‘সুপারি বনের সারি’, জীবনানন্দ দাশের ‘অদ্ভুত আঁধার এক’, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘একটা গাছতলায় দাঁড়িয়ে’ ও কাজী নজরুল ইসলামের ‘রক্তাম্বরধারিণী মা’, উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী রচিত ও দেব প্রসাদ মণ্ডল রূপান্তরিত ‘টুনটুনি ও রাজার গল্প’।

image_printপ্রিন্ট

শেয়ার

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।