খানসামা-চিরিরবন্দরে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় ডা. আমজাদ

এস.এম.রকি, খানসামা প্রতিনিধি: দিনাজপুর জেলার ৬ টি সংসদীয় আসনের মধ্যে অন্যতম হলো দিনাজপুর-৪। এটি খানসামা ও চিরিরবন্দর উপজেলা নিয়ে গঠিত।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে অনেক পুরোনোদের ভিড়ে নতুন মুখ হিসেবে মাঠে-ঘাটে আলোচনায় রয়েছেন অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন।
প্রফেসর ডা: আমজাদ হোসেন, এমবিবিএস, এও, ফেলো (জার্মানী) এছাড়াও বিভিন্ন উচ্চতর প্রশিক্ষণ শেষ করে বাংলাদেশের প্রথম কয়েক জনের মরধে একজন অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ, পঙ্গু হাসপাতাল সহ বিভিন্ন সরকারী স্থানে সার্ভিস দিয়ে বর্তমানে ঢাকা ল্যাব এইড হাসপাতালে অর্থোপেডিক বিভাগের চীফ কনসালটেন্ট এর দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি অর্থোপেডিক সেক্টরের চিকিৎসা কে আরও উন্নত করতে গবেষণার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের চিকিৎসকদের বিভিন্ন সেমিনার ও টেনিং এ প্রশিক্ষক হিসাবে দেশে বিদেশে প্রোগ্রাম করে চলছেন।

চিরিরবন্দর উপজেলায় জন্ম নেওয়া যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা: এম আমজাদ হোসেন হলেন, চিরিরবন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, চিরিরবন্দরের এবি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং ঐতিহ্যবাহী আমেনা বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির প্রাক্তন সভাপতি এবং পর পর ২বার তিনি ঢাকায় বসবাস কারী প্রবাসী দিনাজপুর বাসির প্রাণের সংগঠন দিনাজপুর জেলা সমিতি ঢাকা’র সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি খানসামা ও চিরিরবন্দর উপজেলাই শুধু নয় এখন দিনাজপুর জেলার সকলের অহংকার হয়েছেন মানবসেবার পাশাপাশি সমাজসেবা, শিক্ষানুরাগী হিসাবে অবদান রাখায়।

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ডা: এম আমজাদ হোসেন নতুন মুখ হিসেবে জনসর্মথন তৈরী করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ মাঠে-ঘাটে গণসংযোগ করে চলছেন, তবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়ে সকলের দৃষ্টি কেড়েছেন ।

কয়েকজন ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ডা: এম আমজাদ হোসেন হলেন একজন নীতিবান মানুষ এবং সমাজ সেবায় এলাকায় তার অনেক প্রশংসনীয় অবদান রয়েছে। এসব বিবেচনায় চায়ের দোকান থেকে শুরু করে মাঠ-ঘাটে আলোচনায় রয়েছেন ডা: এম আমজাদ হোসেন।

যুদ্ধহত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা: এম আমজাদ হোসেনের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ১৯৭১ সালে জাতির জননের ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে দুটি পায়ে গুলিবিদ্ধ হই। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুদ্ধ করেছি। এখন দেশের ও এলাকার জনগনের জন্য কাজ করে যেতে চাই। তবে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কোন কিছুই করবো না।

image_printপ্রিন্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।